১৷ পরের মাথায় দিয়ে হাত নিয়ম করে নির্ঘাত – কুঞ্জবিহারী

২৷ কাজ সেরে বসি শত্রু মেরে হাসি

৩৷ কাজের মধ্যে দুই খাই আর শুই

৪৷ যা না হয় আপে তা না হয় বাপে

৫৷ এড়ু দিলাম ভেড়ু দিলাম নাড়ু দিলাম কাঠি
খাবি তো খা ঘরকুনো তুই উঠে গেলে বাঁচি

৬৷ জানি তবু শুধায় সে উত্তম না জানে, না শুধায় যে অধম

৭৷ আছে গরু না বয় হাল তার দুঃখ চিরকাল

৮৷ সুজন বাজায় কুজন গায় অতি বেহায়া নাচতে যায় – কুঞ্জবিহারী

৯৷ লম্ব সাট পটাবৃত

১০৷ পরের মাথায় খায় আলে মল ত্যাগে

১১। পাইয়া পরের ধন চোর করে কীরত্তণ – কুঞ্জবিহারী

১২। দেখরে চোখ শোনরে কান চুপ থাকিস বরত্তমান – শৈলবালা

১৩। দেখিতে পলাশ ফুল অতি মনোহর
গনধ নাই বলে লোকে করে অনাদর – কুঞ্জবিহারী

১৪। খা দিয়া ভাত ফেক দিয়া পাত চলা যাঙ্গে মককা,
লৌটেঙ্গে ছ মাহিনা বাদ – কুঞ্জবিহারী

১৫। অতি ছোট হয়োনা ছাগলে খেয়ে যাবে
অতি বাড় বেড় না ঝড়ে ভেঙ্গে যাবে – নিরমলা

১৬। আয় যত ব্যয় তিন তত আয়ের মাথায়য় দিয়ে হাত
ফাজিল হল ২০৮ – কুঞ্জবিহারী

১৭। চিড়িয়া চূড়ানত খাদ্য যদি কিনচিত দধি মেলে

১৮। বাপের পিছনে নেই চাম মূচির সঙ্গে সয়া – কুঞ্জবিহারী

১৯। মনা বলল ধনাকে ধনা বলল ননাকে – কুঞ্জবিহারী